নিজস্ব প্রতিবেদক◊◊
‘৭২’ সালের সংবিধানের মূলধারায় ফিরতে হলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ শক্তিশালী সংগঠিত কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, ‘৭২ এর সংবিধান ও আজকের বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি এ কথা বলেন।
আজ (২৯ আগস্ট) বিকাল ৩ টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট জোবায়দা পারভীন এর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ আইনজীবী সংসদ সুপ্রীম কোর্ট শাখা আয়োজিত।
আলোচনা সভায় মূলপত্র উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ আইনজীবী সংসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ফিরোজ আলম।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, এডভোকেট জেড.আই.খান পান্না, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: আবদুন নুর দুলাল। প্রধান অতিথি আরো বলেন ৭২ সালের সংবিধান উপমহাদেশের প্রথম আধুনিক সংবিধান যেখানে ভারতের আগে সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু দুঃজনক হলেও সত্য সামরিক শাসন সহ নানা সময়ে এই সংবিধানকে বদলে ফেলা বা মূল চেতনার পরিপন্থি অনেক কিছু যুক্ত করা হয়েছে। আর একটা পক্ষ চায় এই সংবিধান পরিবর্তন করে সাম্প্রদায়িক সংবিধান তৈরী হোক। বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ক্রমে মুসলিম বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদে রুপ নিচ্ছে।
জনাব জেড আই খান পান্না বলেন, ৭২ সালের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কি ভাবে হবে পরিষ্কার করে দেওয়া আছে। সেই অনুযায়ী সংবিধানের আলোকেই এখানে নির্বাচন হবে।
এডভোকেট মো: আবদুন নুর দুলাল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিজেই তার নিজের বিরুদ্ধ স্বরুপ প্রদর্শন করেছে। ফলে এদেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন হবে না। মূল প্রবন্ধে এডভোকেট ফিরোজ আলম উল্লেখ করেন যে সংবিধানের চার মূলনীতির মধ্যে সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বিলুপ্ত প্রায়, চার মূলনীতি ফিরিয়ে আনতে আমাদেরকে তাই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।
Tags: ৭২ সালের