সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের কালিরখামার গ্রামের নাহিদ মিয়া (১৬) আপন চাচার লাঠির আঘাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে।
পারিবারিক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে রোববার সকালে। নাহিদ ওই গ্রামের ভূট্টু মিয়ার ছেলে। সোমবার রাতে নাহিদের পিতা বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।
পরিবার এবং স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা গেছে, আপন চাচা তাজেল মিয়ার বসতবাড়ির সীমানা দিয়ে ভূট্টু মিয়ার গোয়াল ঘরের নোংরা পানি যাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথাবার্তার এক পর্যায় সংঘর্ষে রুপ নেয়। এরই এক পর্যায় চাচা তাজেল মিয়া লাঠি দিয়ে ভাতিজা নাহিদের মাথায় স্বজোরে আঘাত করে। এতে নাহিদ গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকালে নাহিদ মারা যায়। এ ঘটনায় আহত অন্যারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনোয়ার আলম সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার জানান, তাজেল মিয়া আসলে একজন বদ মেজাজি মানুষ। এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও দুঃখজনক ঘটনা। এর ন্যায় বিচার হওয়া উচিত।
নাহিদের পিতা ভূট্টু মিয়ার দাবি আমার আপন ভাই হয়ে আমার ছেলেকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে। আমি আইনের মাধ্যমে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
থানার ওসি মো. মাহবুব আলম জানান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশের ময়না তদন্তের শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।