সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এসও মেঘনা ডিপোর পশ্চিমে পার্শ¦বর্তী সুচতারী মাঠ এলাকায় সবজি চাষের আড়ালে গাঁজা চাষের অভিযোগ উঠেছে আলমগীরের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুর বেলায় মেঘনা ডিপো’র পশ্চিম পাশের এলাকার সুচতারী মাঠের মধ্যে সবজি চাষের আড়ালে অবৈধ ভাবে প্রায় এক থেকে দেড় কেজি ওজনের তরতাজা গাঁজা গাছ পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বেও জানাগেছে, খাজা মইনুদ্দিনের মালিকানাধীন চারতলা বাড়ির নিচতলায় অফিসের পেছনে থেকে ১টি গাঁজার গাছ উদ্ধার করে। নাসিক ৬ নং ওয়ার্ডে অফিস ও বসতবাড়ীর আঙ্গিনা থেকে প্রায় ১ কেজি ওজনের ১টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে, এসও গোদনাইল এলাকার সুচতারি মাঠের মধ্যে সবজি চাষের আড়ালে অবৈধ গাঁজা গাছের পরিচয় মিলেছে। স্থানীয় এলাকার সচেতন মহলের গোপন তথ্যে মতে সুচতারি মাঠে গাঁজার গাছ দেখাগেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আলমগীর(৩৬) পিতা আবুল কাশেম, সোহেল(৩৮) পিতা মৃত আব্দুল আউয়াল ও সিব্বির(৪২) পিতা হোসেন সরদার, উভয় গোদনাইল এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে বলে জানান এবং সুচতারি মাঠের মধ্যে সবজি চাষের আড়ালে অবৈধ গাঁজা গাছের চাষের অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। আরও জানান, সাবেক কাউন্সিলরের রাজনৈতিক দলের সহকর্মী। এবিষয়ে সাবেক কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডলের মুঠোফোনে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান (বিপিএম) বার বলেন, ভাই আমার কাছে ওই অভিযুক্ত গাঁজা গাছের তথ্যেটি জানা আছে। এবং গতকালকেও একই ধরনের একটি গাঁজা গাছ ধ্বংস করে দিয়েছি। তবে ওই গাছটিও ধ্বংস করা হবে। এবং এদের মধ্যে এধরনের কে বা কাহারা গাঁজা চাষের ইন্দনদাতা, তাঁদেরকে সরেজমিন তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো বলে জানান তিনি।