সুতরাং জঘন্যতম হত্যার ঘটনার সঠিক শাস্তির দাবি করেন বাংলার সাধারণ মানুষ। এবং সাগর-রুনি হত্যার বিচার ব্যবস্থা এই বাংলার মাটিতে গ্রহণ করা হলে, অদূর ভবিষ্যতে এমন জঘন্যতম সাংবাদিক হত্যা ঘটনা হতোনা বলে ধারণা করেন গণমাধ্যম প্রিয় মানুষ গুলো। কাজেই সরকার গণমাধ্যমের জান-মালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ঘাতক বিরোধী নিকৃষ্ট সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় থেকেই আইনের আওতায় আনা উচিৎ। তাঁতে করে বঙ্গবন্ধুর কণ্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনাম আরও বহু অংশে বৃদ্ধি পেতো বলে দেশের মেধাবী গণমাধ্যমের ধারণাও বটে।
বাংলাদেশের মেধাবী গণমাধ্যমের মতে, দেশের মেধাবীদের তালিকায় ছিলেন সাংবাদিক সাগর-রুনি। দেশের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে তাঁরা সর্বসময় ব্যস্ত জীবন পার করেছিলেন। এমতাবস্থায় দেশের ঘাতক মূখশধারী শয়তানেরা অপরিকল্পীত ভাবে নির্মম নৃশংসভাবে জঘন্যতম হত্যা করেন। যার হত্যা কান্ডের রায় ১০ বছরে ৮৬ বার পিছিয়েছে অথচ বিচার হয়নি। এধরনের দু’জন মেধাবী সাংবাদিকের হত্যার ঘটনায় যদি বিচার বিশ্লেষণ এদেশের নাগরিক হিসেবে না পায়। তাহলে আস্তে ধীরে আগাম প্রজন্মে এধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় তরুণ মেধাবীরা আর আশার সম্ভাবনা নেই।