নিজস্ব প্রতিবেদক◊◊
সরকারের বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ সাংবাদিক তালুকদার রুমির অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র সভাপতি এম আবদুল্লাহ।
আজ (১৭ আগস্ট) বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশন-বিএমএসএফ -এর আয়োজনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও এস এম তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র সভাপতি এম আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ২৭ জুলাই রাতে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে’র কার্যনির্বাহী সদস্য ও দৈনিক পাঞ্জেরী পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক রুমিকে বাসা থেকে পুলিশ প্রথমে তুলে নিয়ে যায় কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই। পরে বানোয়াট রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেলে পাঠায়। রুমি একজন সাহসী সাংবাদিক ও একটি পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক। কোন পরোয়না ছাড়াই তাঁকে বাসা থেকে তুলে নেওয়া প্রমাণ করে সমাজটা কোন পর্যায়ে নেমেছে। সভ্যতা-ভব্যতা কোন পর্যায়ে গেছে এই গ্রেফতার থেকে স্পষ্ট হয়েছে। একজন সাংবাদিককে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখানো বাংলাদেশে নতুন কালচার। গত ১৫ বছরে আমরা দেখেছি যে প্রথমে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে, তারপর কয়েকদিন গুম করে বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে যদি আইনের শাসন থাকতো তাহলে প্রথমে তালুকদার রুমির বিরুদ্ধে মামলা হতো ওয়ারেন্ট জারি হতো। তা না করে আগে গ্রেফতার ও পরের দিন বানোয়াট মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। অবিলম্বে এই বানোয়াট মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রুমির মুক্তি দাবি করছি।
সংগঠনের সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও এস এম তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র সভাপতি এম আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ২৭ জুলাই রাতে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে’র কার্যনির্বাহী সদস্য ও দৈনিক পাঞ্জেরী পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক রুমিকে বাসা থেকে পুলিশ প্রথমে তুলে নিয়ে যায় কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই। পরে বানোয়াট রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেলে পাঠায়। রুমি একজন সাহসী সাংবাদিক ও একটি পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক। কোন পরোয়না ছাড়াই তাঁকে বাসা থেকে তুলে নেওয়া প্রমাণ করে সমাজটা কোন পর্যায়ে নেমেছে। সভ্যতা-ভব্যতা কোন পর্যায়ে গেছে এই গ্রেফতার থেকে স্পষ্ট হয়েছে। একজন সাংবাদিককে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখানো বাংলাদেশে নতুন কালচার। গত ১৫ বছরে আমরা দেখেছি যে প্রথমে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে, তারপর কয়েকদিন গুম করে বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে যদি আইনের শাসন থাকতো তাহলে প্রথমে তালুকদার রুমির বিরুদ্ধে মামলা হতো ওয়ারেন্ট জারি হতো। তা না করে আগে গ্রেফতার ও পরের দিন বানোয়াট মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। অবিলম্বে এই বানোয়াট মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রুমির মুক্তি দাবি করছি।
বিএফইউজে সভাপতি বলেন, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে দমন নিপীড়ন করে কোন স্বৈরশাসকের শেষ রক্ষা হয়নি।
বিএফইউজে’র মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন বলেন, সরকার গত ১৫ বছরে অনেক সাংবাদিক হত্যার সাথে জড়িত। সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার বিচার আজ পর্যন্ত করতে পারে নাই। ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখতে ও সাংবাদিকদের কন্ঠ স্তব্ধ করতে চাচ্ছে, এটা আর সম্ভব না, সাহসী সাংবাদিক তালুকদার রুমির অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশন-বিএমএসএফ’র সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে’র কার্যনির্বাহী সদস্য কারারুদ্ধ, অথচ ইউনিয়ন কোন ভূমিকা নিচ্ছে না। ইউনিয়নের নেতাদের উদেশ্যে আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, তালুকদার রুমির মত সাহসী সাংবাদিকের কন্ঠ স্তব্ধ করার প্রতিবাদে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং রুমির মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফাউন্ডেশন-বিএমএসএফ এর আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশে আরোও বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোটের মহাসচিব জাকির হোসেন, বিএফইউজে’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান আসাদ, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, ডিইউজে’র সাবেক নির্বাহী সদস্য এইচ এম আল আমিন, বিএমএসএফ‘র কোষাধ্যক্ষ প্রদীপ কুমার পাল, হুমায়ুন কবির, খুরশেদ আলম, তালুকদার বেলাল, জিয়াউর রহমান, এফবিজেও এর ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফূন নাহার রিক্তা, জেসমিন জুঁই, বাবুল দাস লাল, এস এ আলমগীর প্রমুখ।
Tags: সাংবাদিক