গত ২২ মে ২০২৩ তারিখে শাহীনুর রহমানকে নিয়োগের জন্য উপানুষ্ঠানিক পত্র নং—বাজাস/১৬ লালমনিরহাট—১/২০২৩—১১৮ এর মাধ্যমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অধীন আইন ও বিচার বিভাগে সচিবকে সুপারিশ করে মোতাহার হোসেন এমপি।
এ বিষয়ে সাংসদের সুপারিশের কপি, শাহীনুর রহমানের কমিটির তালিকা, সদস্য ফরম ও চাঁদা প্রদানের রসিদ প্রতিবেদক হাতে পেয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাটগ্রাম পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধক) এর মৃত্যুজনিত কারনে পদটি দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় পাটগ্রাম উপজেলার সাব—রেজিস্ট্রার গত ২৮/০৪/২০২৩ইং তারিখে ৩ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করেন। বাছাইকৃত ৩ জন প্যানেলভুক্ত প্রার্থীর মধ্যে পাটগ্রাম পৌরসভার ০৫ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা ক্রমিক নং-০৩ জনাব শাহীনুর রহমান, পিতাঃ সিরাজুল ইসলাম, গ্রামঃ রসুলগঞ্জ (বানিয়াপাড়া), ডাকঘরঃ পাটগ্রাম, উপজেলাঃ পাটগ্রাম, জেলাঃ লালমনিরহাট—কে উক্ত শূন্য পদে নিয়োগ করার জন্য সাংসদ মোতাহার হোসেন সুপারিশ করেন। সুপারিশ পত্রে তিনি শিবির নেতা শাহীনুর রহমান ও তার পরিবারকে আওয়ামীপন্থী ও স্বাধীনতার পক্ষের সমর্থক দাবি করে তাকে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধক) এর শূন্য পদে নিয়োগের জোর সুপারিশ করেন।
অথচ তথ্য প্রমাণ ও স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শাহীনুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত জামায়াত—শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি ও সম্পাদক অনুমোদিত পাটগ্রাম পৌর শাখা কমিটির প্রচার সম্পাদক ছিলেন। তিনি ০৫/০৫/২০১৩ সাল থেকে শিবিরের নিয়মিত সদস্য হিসেবে সকল ধরনের নিয়মকানুন মেনে একজন আদর্শ শিবির কর্মী হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। এ ঘটনায় পাটগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ কর্মী বলেন, মোতাহার হোসেন এমপি আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে শাহীনুরকে কাজী পদে নিয়োগের সুপারিশ করায় প্রকৃত আওয়ামী লীগ পরিবারের লোকজন নিয়োগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা মানছেন না।