নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অবকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত হাসানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন এলাবাসী। তাদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তা মেরামত ও কালভার্টের কাজ নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করা হয়েছে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ না করেই বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এভাবে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন শওকত হাসান । এছাড়া, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ ঘরেরই মেঝে, দেয়াল ও পিলারে ফাটল ধরেছে। সেমি-পাকা দুই কক্ষ বিশিষ্ট এসব ঘরে সংযুক্ত একটি রান্নাঘর ও টয়লেট থাকলেও এসবের অবস্থা বেহাল। বৃষ্টি হলে চাল দিয়ে পানি পরছে। ঘর তৈরিতে নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলছে বাসিন্দারা সেই সাথে ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা প্রত্যেকেই স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে চেয়ারম্যানকে প্রতিটা ঘরের জন্য ২৫-৫০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। কিসের জন্য দিয়েছেন জানতে চাইলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন সেটা সরকারী ফি বলে গ্রহন করেছেন চেয়ারম্যান তাদের বলেছেন সরকারি ফি জমা না দিলে ঘর পাওয়া যাবে না তাই দিতে বাধ্য হয়েছি । মহামারি করোনাকালীন বরাদ্দের চাল ও নগদ অর্থ বিতরণে অনিয়ম, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দুস্থদের মধ্যে প্রাপ্ত ত্রাণ সহায়তা নিজের লোকজনকে দেওয়া, ভিজিএফ চালের কার্ড প্রতি অর্থ আদায়, একই পরিবারে একাধিক কার্ড বিতরণ করা, দুই বছর মেয়াদী ভিজিডি’র কার্ড এবং বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে শওকত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এছাড়া, এলজিএসপি-৩ এর বরাদ্দের টাকা খরচে অনিয়ম, নন ওয়েজ প্রকল্পের টাকা না জানিয়ে ব্যয় করাসহ বিভিন্ন অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দের টাকা উত্তোলনসহ বিভিন্ন অনিয়মে ক্ষুদ্ধ স্থানীয়রা। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শতকত হাসানের সাথে বেশ কয়েকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।