বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে ৪১৬টির পরিবর্তে কমপেক্ষ ৫১৬ স্পিডগান, ২১০টি আরএফ আইডি, ২১২টি অ্যালকোহল ডিটেক্টর এবং ১৮০টি পস মেশিন বসানোর প্রস্তাব করছে। যাতে করে দেশের মানুষ দুর্ঘটনামুক্ত-জ্যামমুক্ত এবং নির্ধারিত ভাড়ায় নাড়ির টানে বাড়ির পথে যেতে পারে, সেজন্য প্রয়োজন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ আর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সকল কর্মকর্তা কর্মচারির ছুটি বাতিল করে নিয়োজিত থাকা।
একই সাথে দুর্ঘটনায় পড়া যানবাহন মহাসড়ক থেকে অপসারণ করতে ২৪টি রেকারের পরিবর্তে ৭০ টি, ১২টি অ্যাম্বুলেন্স-এর পরিবর্তে ১০০ টি এবং ৯১টি কুইক রেসপন্স টিম-এর স্থলে ১৫০ টি টিম প্রস্তুত রাখারও জোর দাবি জানাচ্ছি। নৌপথেও বিশেষ টিম রাখার দাবি জানাচ্ছি। সেভ দ্য রোড বলতে চায়- সচেতনতা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে পারলেই সম্ভব বাংলাদেশে সড়ক- রেল- নৌপথ দূর্ঘটনা প্রতিরোধ করা।
আকাশ-সড়ক-রেল ও নৌপথ দুর্ঘটনামুক্ত রাখার লক্ষ্যে একমাত্র স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সেভ দ্য রোড-এর চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনামের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য রোড-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া, সদস্য সাজিয়া রহমান, ইউসুফ লিটন, কুয়াশা হক প্রমুখ।