সমাবেশে বক্তারা বলেন, সেনা অফিসারদের হত্যাকান্ড ছিল ভারত ও তাঁর ক্রীতদাস আওয়ামী লীগের যৌথ ষড়যন্ত্রের ফসল। এই ষড়যন্ত্রে খুনি হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান মুঈনুদ্দিন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতা ও ভারত সরকার সরাসরি জড়িত। ভারতের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা বিডিআর এর পোশাক পরে এই হত্যাকান্ডে অংশগ্রহণ করে। তাঁদের অনেককে হিন্দি ভাষায় কথা বলতে দেখা গেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ১২ দলীয় জোটভুক্ত ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও “আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আন্দোলন” এর আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমীনের সভাপতিত্ব সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। প্রধান বক্তা হিসাবে বানী প্রেরণ করেন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান এডভোকেট মাওলানা আবদূর রকিব।
সভাপতির বক্তব্যে আন্দোলনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমীন বলেন, ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি সেনা অফিসারদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল অনেক আগেই। ২০০১ সালের বড়াইবাড়ি সীমান্তে বাংলাদেশের উচ্চ প্রশিক্ষিত দুর্ধর্ষ বিডিআর সেনাদের আগ্রাসী বিএসএফ সেনাদের শোচনীয় পরাজয়ের প্রতিশোধ হিসাবে ভারত এই ষড়যন্ত্র করেছিল। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দূর্বল করাই ছিল ভারতের দূরভিসন্ধি।