আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, রিকের নির্বাহী পরিচালক আবুল হাসিব খান, সভাপতি প্রকল্পের তাৎপর্য নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন। প্রকল্প বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিকের প্রবীণ বিষয়ক গবেষক তোফাজ্জেল হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সাইদুর রহমান খান, মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ রেজাউল আহসান, সাবেক সচিব, পল্লীউন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ডাঃ হালিদা খানুম আখতার, নারী প্রজনন স্বাস্থ্য ও জন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষক।
এছাড়াও বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ হাফিজুর রহমান ময়না, সভাপতি নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম।মুক্ত আলোচনায় বক্তাদের নিকট থেকে উল্লেখযোগ্য যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে তা হলো অনেকেই প্রবীণদের নানাবিধ সহায়তা নিয়ে কাজ করছে কিন্তু প্রবীণদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে কোন নজর নেয়া হচ্ছে না। ক্রমবর্ধমান প্রবীণ সংখ্যাবৃদ্ধির ফলে প্রবীণদের বিভিন্ন সমস্যার যে সংকট তৈরি হবে তা সমাধানের দায়িত্ব সরকার বা রাষ্ট্রের উপরই বর্তায়। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ সকলেই প্রবীণদের জন্য আলাদা একটি অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয়ের দাবি উত্থাপন করেন। তারা মনে করেন আলাদা একটি অধিদপ্তর হলে প্রবীণদের কল্যাণে কার্যক্রম এর পদক্ষেপ নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা অনেক সহজ হয়ে যাবে। নবীনদের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সুপারিশ আসে তাহলো প্রবীণদের আয়মূলক কাজের ক্ষেত্র যেন গ্রীন লাইভ লিহুড অর্থাৎ পরিবেশবান্ধব হয় এবং প্রবীণ বয়সের ক্রনিক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রেহাই পেতে তরুন বয়স থেকেই সচেতনতা তৈরির জন্য এডভোকেসী করা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নারী প্রজনন স্বাস্থ্য ও জন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষক ডা: হালিদা খানুম আখতার বলেন; বিভিন্ন দেশে প্রবীণদের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এর মধ্যে নারী প্রবীণগণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন স্বাস্থ্যদিক থেকে খারাপ অবস্থায় আছে, তাদের বিষয়টি অতিসত্তর গুরুত্ব দেয়া দরকার। বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রে ভাতার পরিমান আরো বৃদ্ধি করা যায় কিনা এ বিষয়ে প্রধান অতিথির মতামত জানতে চাইলে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচলক মোঃ সাইদুর রহমান খান বলেন, ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং ভাতার টাকা বৃদ্ধির পরিকল্পনা চলছে।