ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় উত্তরাঞ্চলে গরমের সময় গরম এবং শীতের সময় শীতের তীব্রতা একটু বেশিই থাকে। প্রতিনিয়তই শীতের তীব্রতা আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে দিনাজপুরের প্রায় সকল উপজেলা। সেই সঙ্গে বেড়েছে হিমেল হাওয়া ও শৈত প্রবাহ। এরই ধারাবাহিকতায় ঘোড়াঘাট উপজেলারও একই অবস্থা। আবহাওয়া অফিস বলছে তাপমাত্রা ওঠানামা করায় ঠান্ডার কনকনে ভাব আগামী কয়েকদিন আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সরেজমিনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঘনকুয়াশা থাকায় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করতে দেখা গেছে। সারাদিন শীতের কাপড় পরে চলাচল করতে দেখা গেছে কর্মব্যস্ত মানুষদের। অপরদিকে দোকানগুলোয় বেড়েছে গরম কাপড় কেনার হিড়িক।
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবহাওয়া সহকারি মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দিনাজপুরে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকাল একই সময় তাপমাত্রা ছিলো ৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিলো ৯৪ শতাংশ।
এদিকে, উপজেলার অধিকাংশ এলাকাতেই কাজের সন্ধানে বের হওয়া নি¤œ আয়ের খেটে খাওয়া মানুষরা পড়ছে বিপাকে। তীব্র শীতে দুর্ভোগ বেড়েছে অনেকটাই। বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত। সন্ধ্যা হলেই খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছে ছিন্নমুল ও অসহায় মানুষ। তবে গত বছরের তুলনায় ঠান্ডা নিবারণে গরম কাপড় বিতরণে প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ার মতো নেই। নেই কোন এনজিও বা অন্যান্য সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠানেরও। এ অবস্থায় বিত্তবানদের, ছিন্নমুল অসহায় মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা ও পৌর সচেতন মহল।