ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না। রাত পোহালেই শুনতে পাওয়া যায় খুন অথবা আত্মহত্যার সংবাদ। এ যেন খুন আর আত্মহত্যার নগরী। গত ৫ জানুয়ারি শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিজ বাড়ির আঙ্গিনার একটি আম গাছে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এর পরদিনই মারুফ হোসেন বাবু (৩৫) নামের এক যুবকের বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। তিনি ঘোড়াঘাট পৌরসভার এসকে বাজার এলাকার হুদা আলীর ছেলে।
সোমবার (৬ ফেব্রæয়ারি) দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন থেকে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বাবু ও তার স্ত্রী সুরমার মধ্যে মনোমালিন্য চলে আসছিলো বলে জানা গেছে।
জানা যায়, সকালে করতোয়া নদীর তীর সংলগ্ন পৌরসভার ঘাটপাড়া এলাকার এক ভুট্টার জমিতে কিছু মহিলা বিষপান করা অবস্থায় বাবুকে দেখতে পেয়ে আশেপাশের মানুষদের খবর দিলে স্থানীয়রা তাকে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরে রংপুরেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঘোড়াঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়ন্ত কুমার সাহার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, শুনেছি বিষপানে রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘোড়াঘাটের বাবু নামের এক যুবক মারা গেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
উল্ল্যেখ, গত ১২ দিনে এ পর্যন্ত ঘোড়াঘাটে ৩টি খুন ও ২টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।