আরিফুল ইসলাম জিমন,দিনাজপুর◊◊
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পুলিশের উপস্থিতিতে জয়রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদুল ইসলামকে প্রতিপক্ষ রুহুল আমিনের নেতৃত্বে মোনাজ্জল হোসেন গংরা হত্যার উদ্দেশ্যে বেদম হাতুরী পেটা করে।
গতকাল (২৫ আগস্ট) শুক্রবার বিকেলে উপজেলার জয়রামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষ মোনাজ্জল গংদের সাথে বাদীসহ অন্যান্যদের জয়রামপুর বিদ্যালয় ও ওয়াকফ্ স্টেটের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার মামলার তদন্তের স্বার্থে ঘোড়াঘাট থানার এসআই মোজাফ্ফর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ জয়রামপুর গ্রামে যান।
এসময় এসআই মোজাফ্ফর অপর একটি মামলা তদন্তের জন্য শিক্ষক মেহেদুলকে সাথে নিয়ে গ্রামের মধ্যে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষরা পুলিশের উপস্থিতিতেই অতর্কিতভাবে হামলা করে। এতে আহত শিক্ষক মেহেদুল জীবন বাঁচার তাগিদে ছুটে গিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে ঢুকে ঘরের দরজা লাগিয়ে দেন।
সেসময় এসআই মোজাফ্ফর থানায় ফোন করে আরও ফোর্সসহ তাকে উদ্ধার করে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা করতে গেলে ঘটনা ভিন্নখাতে নিয়ে একটি হার নেওয়া হয়।
এ ঘটনার একদিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ মামলাটি এজহারভুক্ত করেনি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেনি। অপরদিকে প্রতিপক্ষরা সুযোগ পেয়ে ২৬ আগষ্ট শনিবার ওই বিদ্যালয় ও ওয়াকফ্ স্টেটের জমিগুলো রোপণ করা শুরু করেছে।
এ ঘটনায় প্রতিপক্ষরা বিদ্যালয় ও ওয়াকফ্ স্টেটের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা অব্যাহত রাখলেও পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে জানান এলাকাবাসীরা।
এ ব্যাপারে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।