বাগেরহাট প্রতিনিধি:
ইয়াস ধেঁয়ে আসার খবরে বাগেরহাটসহ উপকূলবর্তী এলাকার মানুষে মধ্যে এক ধরণের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। জলোচ্ছাস হতে পারে এমন আশঙ্কায় নদী পাড়ের মানুষের মধ্যে ভীতি কাজ করছে। বিশেষ করে শরণখোলা, মংলা এবং মোড়েলগঞ্জের নদী পাড়ের মানুষের মধ্যে ইয়াস আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষ যাতে আশ্রয় নিতে পারে এজন্য বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৩৪৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলায় ১০টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ৮৫টি মেডিক্যাল টিম এবং দেড় সহস্রাধিক স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তত রাখা হয়েছে।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম জানান, জেলায় ৩৪৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির জানান, জেলায় মোট ৮৫টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মেডিক্যাল টিম কাজ করবে। এরমধ্যে জেলা সদর থেকে বিভিন্ন উপজেলায় জরুরি ওষুধ পাঠানো হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তত রাখা হয়েছে।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য জানান, জোয়ারে বিভিন্ন নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে দেড় ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি আরো বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে আরো তিন থেকে চার ফুট পানি বৃদ্ধি পেলে কোনো কোনো এলাকায় তাদের বেড়িবাঁধ উপচে গ্রামে পানি প্রবেশ করতে পারে। বাঁধ কোনো ধরণের ক্ষতিগ্রস্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে তা মেরামতের জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছে। তবে এখনো কোনো এলাকায় তাদের বেড়িবাঁধে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তৈরি হয়নি বলে তিনি জানান।