আমিরুল ইসলাম কবিরঃ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৭নং ইদিলপুর ইউনিয়নের পলি লক্ষিপুর গ্রামে ৩ সন্তানের জননীর রুপে পাগল কলেজ ছাত্র..! কাঠমিস্ত্রী স্বামীর হাতে ধৃত হয়ে সংসার ভাঙলো.. অবশেষে কলেজ ছাত্র ইদিলপুর গ্রামের প্রেমিক রহিম মন্ডলের বাড়িতে অবস্থান.. গা ঢাকা দিলো রহিম..!
সরেজমিনে প্রকাশ,ইদিলপুর গ্রামের আব্দুল খালেক মন্ডলের কলেজ পড়ুয়া বখাটে ছেলে ও নয়াবাজার কারিগরি কলেজের প্রিন্সিপাল খাজা মন্ডলের ভাতিজা জুয়েল মন্ডল ওরফে রহিম (২১) পাশাপাশি পলি লক্ষিপুর গ্রামের কাঠ মিস্ত্রী আলমগীর এর সুন্দরী স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী মঞ্জিলা বেগমের সাথে গোপনে চুটিয়ে প্রেমে মশগুল হয়ে পড়ে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার পহেলা জুলাই রাত ১০ টার দিকে রহিম মঞ্জিলার সাথে দেখা করতে গেলে স্বামী আলমগীর তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে।
একপর্যায়ে ইউপি সদস্য, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসী রাতভর দেনদরবার করেও কোনো সুরাহা টানতে পারেনি। অবশেষে স্বামী আলমগীর সংসার করবে না বলে স্ত্রী মঞ্জিলাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।
এদিকে স্বামীর সংসার হবে না জেনে মঞ্জিলা রবিবার সকালে কলেজ পড়ুয়া প্রেমিক রহিমের বাড়িতে বিয়ের দাবীতে অবস্থান করতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে বাড়ির লোকজন ধুরন্ধর প্রেমিক রহিম বাড়ি থেকে সরে যেতে বললে সে গা ঢাকা দেয়।
অপরদিকে,রহিমের বোন,ভগ্নি পতি ও বাড়ির লোকজন অবস্থানরত মঞ্জিলাকে মারধর করে ঘর থেকে বাড়ির বাইরে বের করে দেয়। এর পর থেকে মঞ্জিলা বাড়ির বাইরে অবস্থান করছে। এ বিষয়টি ইদিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান’কে অবগত করলে তিনি ওই গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে পাহাড়ার ব্যবস্থা করেন।
এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। বিষয়টা এলাকায় চাঞ্চল্য সহ মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।