কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড ডাঃ এম এ সামাদ এর সভাপতিত্বে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ, দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল এবং চাল-ডাল সহ সকল পণ্যর মূল্য কমানোর দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্য কমরেড সামাদ বলেন, এই সরকার জনগন কর্তৃক নির্বাচিত নয় ২০১৪ ও ২০১৮ সালে দুইটি নির্বাচনে সরকার ভোট ডাকাতি করে জোর জবরদস্তি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে রেখেছে আবারো জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নানান কৌশলে ভোট ডাকাতি করে আবারও ক্ষমতায় থাকতে চায়।
কমরেড সামাদ আরও বলেন, অত্যন্ত বিপদজনক ও লজ্জার বিষয় বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্বের আধিপত্যবাদ লুটেরা শক্তি গুলো তৎপর হয়ে উঠেছে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরিন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে আর এই সুযোগ করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নামক দুটি জোট তাদের ক্ষমতা লিপ্সার কারনে তারা এই সুযোগ পাচ্ছে, বিদেশিদের হস্তক্ষেপ বাংলাদেশের জনগণ মেনে নিবে না।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা নামক কালো আইন করে সরকার জনগণ ও সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে রেখেছে এই আইনে অনেক নিরাপদ সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ জেল খাটছে মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়েছে। আমরা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চাই। হামলা মামলা জেল জুলুম গুম খুন লুটপাট দুর্নীতি অর্থ পাচার ফ্যাসিবাদী সরকারের চরিত্রের বহি:প্রকাশ। আমরা এই সরকারকে পদত্যাগ করে দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না।
পার্টির সাধারন সম্পাদক কমরেড সাহিদুর রহমান বলেন, জনগনের উপর মরার উপর খাঁড়ার ঘা। সরকারের দুর্নীতি লুটপাট অরাজকতা ভুলনীতির দায় জনগণের কাঁধে চাপানো হচ্ছে। সরকার বার বার গ্যাস পানি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করছে। সরকারের এই দুর্নীতি ও ভুলনীতির দায় জনগণ কেন বহন করবে? আজ দেশে সাধারন মানুষ হাহাকার করছে সকল পণ্যর দাম তাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
তিনি বলেন, অবিলম্বে পদত্যাগ করে দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। এই সরকার অনির্বাচিত সরকার। ভোট ডাকাতি করে জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করে জোর পূর্বক ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। ২০১৪ ও ২০১৮ এর মত ভোটারবিহীন কোন নির্বাচন বাংলাদেশে আর হতে দেওয়া হবে না। জনগণ তা হতে দেবে না। সরকার যত তাড়াতাড়ি পদত্যাগ করবেন ততই মঙ্গল। নইলে পরিণতি ভালো হবে না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক কমরেড তালেবুল ইসলাম,, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড সামছুল হক সরকার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড তারেক ইসলাম বিডি, কেন্দ্রীয় সদস্য কমরেড গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, নারী নেত্রী কমরেড নূর আফসানা নীপা প্রমূখ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।