কবিতার ভেতরে ও বাহিরে হাঁটতে হাঁটতে,
তোমার এক প্রচ্ছন্ন ছায়া আমাকে তাড়া করে ফেরে।
সন্ধ্যায় আলো-ছায়ায় দেখি তোমার প্রতিচ্ছবি,
ব্রহ্মচারী তুমি,হাটো তুমি প্রজাপতি পায়ে আলোর প্রতিবিম্বে।
জুয়ারী চোখে দেখে না, জলের তল, শুধু উপরেই ঝলকায় স্বচ্ছ জলের আয়নায়,
আমি তোমার মুখশ্রী দেখি, রৌদ্র ছায়ায়, আরো দেখি,
তৃণ- পত্রে,ঋতু- রঙে, আকাশ ভরা নিলে,
কখনো তোমার আঁকি ঝুঁকি রেখা
ছায়া ফেলে রাখে ঝিলে।
তুমি তৃপ্তিহীন বিরহে জ্বলো-নিভো সোডিয়াম আলোর নিচে
রুপোর মহর খুঁজো ,নিখুঁত ভাবে আঁধার – কালো গোলকধাঁধায়।
তুমি বেহায়া বেদ্বীন, জোছনায় ছায়ায়,
স্বপ্নে, ঘুরো- ফেরো ,বন -বাঁদরে।
সারল্য মনে আমি হাটি তোমার ছায়ার পিছু পিছু,
প্রণয়বৃত্তে ঘুরি, তবুও আলিঙ্গনের স্বপ্ন মাখি, সারা অবজুড়ে জানি এসব বৃথা।
চাঁদের আলোয় ভুতের বুঝি বেড়া আলো ছায়ায় ,লুকোচুরি খেলা,
ধরতে গিয়ে সহসা পড়ি ধরা।
তোমার হাতে রাখো আমার অনড় হাত
দেখি আকাশ ভরা তারায় তারায়
মেঘের সংলাপ ।
চোখে চোখ রাখার আগেই শুনি,
চাঁদের আলোয় কালো মেঘের উলু ধ্বনি ।
কথার ঝাঁপি বন্ধ ,নিরস পত্রহীন
নিথর বনে চিবুক ছুঁয়ে মেঘের জলে আলাপন
আচমকা ঝড়ে প্রণয় গুলো কেড়ে নিয়ে ভেঙে
দিলো মন।
আহ্লাদে মাটির ঠোঁটে বৃষ্টি ভেজা মেঘ বধুয়ার গান,
বৈরি ফাঁদে প্রেম বাঁধেনা, ঘনকালো ছায়ায় ম্রিয়মাণ।
শান্তি কোথায় শীতল শ্রয়ণ সুধা, তৃপ্তি মোহন আলোক বিম্বে স্তব
চারিদিকে চক্রের রৌরব আঁধারে রব, বিন্দু ফোঁটায় পাবো কি মিঠাতে ক্ষুধা।