নিজস্ব প্রতিবেদক♦♦
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের গর্বিত ও মানবিক পুলিশ অফিসার একজন টিআই ইব্রাহিম। কাঁচপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভারি শিল্প অঞ্চল হিসেবে অনেকের কাছে পরিচিত। তেমনি ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক গুরুত্বপূর্ণ একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেশের সর্ব বৃহত্তম জোন কাঁচপুর হাইওয়ে থানা। তিনি যোগদান করার পরপরই নানা বিষয়ে সুনাম অর্জন করেছেন।
সুতরাং দেশের সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কাঁচপুরের পূর্বের মহাসড়ককে উন্নতি করে, বর্তমানে বিশাল এক উন্নয়নের মাত্রা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। মূল টার্নিং পয়েন্টের সড়ক গুলো দুই লেনে পরিবর্তন হলেও, অনেক অংশে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অতএব, পূর্বের ন্যায় কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি বৃহত্তম ডাম্পিং প্লেজ থাকলেও, নেই কোন ডাম্পিং এর পরিবেশ। যার কারণে ২০১৩ সালের কাঁচপুর মেইন টার্নিং পয়েন্ট থেকে সোনারগাঁ একটি পরিত্যক্ত পাম্প থেকে হাইওয়ে থানা পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার একটি ছোট সড়কের লেন আক্রিয়ে বিভিন্ন প্রকার শ্রেণিভূক্ত গাড়ি ডাম্পিং করতে হয়। এ কারণে স্থানীয় জনসাধারণেরও দুর্ভোগের কমতি নেই !
গত কয়েকদিন ধরে সরেজমিন ঘূরে দেখা গেছে, সাগর ফিলিংস পাম্প থেকে হাইওয়ে থানার সম্মূখে দেয়াল ঘেঁষা দীর্ঘ বছরের ডাম্পিং এর গাড়ি গুলো সরিয়ে অন্যদিকে নিয়ে, জনসাধারণের দুর্ভোগের সড়ক মুক্ত করে দিয়েছেন এক মানবিক টিআই ইব্রাহিম। যা বিগত ১১ বছরেও কোন ওসির এবং কোন টিআই’র নেতৃত্বে এমন একটি মহৎ কাজ করা সম্ভব হয়নি। এখন বর্তমান সময়ে টিআই ইব্রাহিমের প্রশংসায় এলাকাবাসী ভরপুর। প্রতিনিয়ত এধরনের সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ মোকাবেলা করাতে, এলাকায় ব্যাপক হারে সুনাম অর্জন কুড়িয়ে নিয়েছে তিনি। অনেকের মতে একজন যোগ্য পুলিশ অফিসার হিসেবে জনগণের প্রাপ্তির অংশ এটিই।
স্থানীয়দের জানাগেছে, বিগত দিন ধরে হাইওয়ে ওসির বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্লেম থাকাতে। এ থানায় একজন ওসি হিসেবে বেশিদিন কেহ টিকে থাকতে পারে না। কারণ দুর্নীতির ললুপতার কারণে ৬ মাস অতিক্রম করলেই, বদলির সংবাদ পাওয়া যায়। যার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে হাইওয়ে ওসির চেয়ার শূণ্য থাকলেও, একজন ভারপ্রাপ্ত ওসি টিআই ইব্রাহিম তাঁর জায়গায় কাজের তুলনায় ব্যাপক সুনামের ঝুড়ি অর্জন করেছেন। যা বিগত দিনেও একজন ওসির কর্মক্ষেত্রে বিষয়টি সম্ভব হয়নি।
আরও জানাগেছে, টিআই ইব্রাহিম একজন হাস্যে উজ্জ্বল, সংস্কৃতিমনা ও সাদা লিপি একজন মনের মানুষ। বিশেষ করে তিনি সাধারণ জনগণের মনের মধ্যে একটি জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর প্রদান এ কর্মকে দিয়ে। তাঁর মতো আজকের বিগত ১১ বছরেও এটি কোন পুলিশ অফিসারের ক্ষেত্রে হয়নি। সুতরাং টিআই ইব্রাহিমের এধরনের আরও ভালো কাজের দাবি জানান কাঁচপুরবাসী।
এবিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি টিআই ইব্রাহিম দৈনিক সকালের কাগজকে জানান, গত ৩-৪ দিন ধরে হাইওয়ে থানার পাশ ঘেঁষে ডাম্পিং এর জট গাড়ি গুলো অন্যদিকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কারণ এটি সাধারণ জনগণের ব্যাপক দুর্ভোগ ছিল। আমি হাইওয়ে থানায় যোগদানের পরই, এমন চিত্র দেখে বিষয়টি আমার ব্যাপক নজরে কাঁড়ে। যার কারণে সড়কের মধ্যে ডাম্পিং এর গাড়ি রাখা এটি জনসাধারণের ব্যাপক দুর্ভোগ। এটি চিন্তা করে আমি আস্তে ধিরে এ দুর্ভোগ মোকাবেলায় প্রায় অর্ধ কিলোমিটারের সড়ক পরিস্কার রাখার চেষ্টা করব। এখন সড়কের কিছু অংশ দুর্ভোগ মুক্ত করেছি।
তিনি বলেন, আমি কাঁচপুর হাইওয়ে থানায় আর বেশ কিছুদিন থাকতে পারলে। এধরনের সড়কের পাশে যত প্রকার দুর্ভোগ আছে। সব গুলো পরিস্কার করার আশ্বাস প্রদান করেন টিআই ইব্রাহিম।