সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাংরোড শিমরাইল ট্রাক ষ্ট্যান্ড এলাকায় ট্রাক ও দূরপাল্লার বাসে যাত্রী ভর্তি করে দ্বিগুন হারে ভাড়া আদায় এবং ট্রাফিক পুলিশের গাড়ি প্রতি চাঁদাবাজি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । গতকাল বুধবার (১২ মে) সকাল থেকে ট্রাক ষ্ট্যান্ড নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় ট্রাফিক পুলিশের টিআই করিম ও সার্জেন্ট শফিককে ম্যানেজ করে কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কাউন্টার গাড়ি দূরপাল্লার বাস পরিবহণ ‘‘ঢাকা মেট্রো-ব,১৪-৫৭০৮ ও ঢাকা-জ, ১৪-০৩৮৯’’ ঢাকা-হাজীগঞ্জ, হানিফ পরিবহণ, তিশা পরিবহণ ও কভার্ডভ্যানসহ নানা প্রকার বাস পরিবহণ স¦াস্থ্যবিধি না মেনে গাড়ি চালাচ্ছেন। এতে করে করোনা সংক্রমণের ব্যাপক স্বাস্থ্যবিধির ঝুঁকি রয়েছে।সরকারি স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করে অনিয়ম ভাবে ট্রাফিক পুলিশের সার্ভিস ব্যবস্থায় ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন পরিবহণ ব্যবসায়ীরা। আরও জানাগেছে, কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করেও অবৈধ ভাবে পরিবহণ রাস্তায় চলাচল করছে।
এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক ট্রাক ষ্ট্যান্ডের নেতারা বলেন, ভাই আমরা যাত্রীমূখি মানুষের ব্যাপক হারে আনাগোনা সৃষ্টির কারণে যাত্রীদের জনপ্রতি (১০০০-৫০০) কুমিল্লা-লাকসাম-দাউদকান্দি যাত্রীদের থেকে টাকা চাঁদা আদায় করছি।এতে করে সাধারণ মানুষ ঈদ আনন্দের কথা মাথায় রেখে আনন্দমূখর পরিবেশে বাসায় ফিরছেন।
সার্জেন্ট শফিক বলেন, ভাই কিছু করার নেই, এসময় সকলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যার যার পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ আনন্দের ভাগা-ভাগি করবেন।আমি এই মুহুর্তে বাস পরিবহণ ও ট্রাক পরিবহণকে কিছু করতে পারবোনা।উদাহরণ-ফেরিঘাটে কেনো যাত্রী উঠে যাচ্ছেন।কাজেই যা করার আমাদের উর্ধ্বতন কৃর্তপক্ষ করবেন বলে জানান।
ট্রাফিক এএসপি সালাউদ্দিন সালেহ বলেন, আপনি বিষয়টি আমাকে অভিযোগ করছেন, আমি আইনগত ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো বলে জানান তিনি।
না.গঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, আমি বিষয়টি দেখছি, দেখে আইনগত ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।